ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে টাকা ইনকাম,কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবো?

আজকের বিষয়: ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে টাকা ইনকাম,কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবো?

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টর সবথেকে দ্রুততম টাকা ইনকামের পন্থা হলো ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখার মোটামোটি তিন থেকে চার মাস পরেই কাজ পাওয়া যায়। এখন প্রশ্ন হতে পারে কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে কোথায় টাকা ইনকাম করব এবং কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখব। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস যেমন ফাইবার, ফ্রিল্যান্সার ডটকম, আপ ওয়ার্ক তাছাড়া আরো বিভিন্ন মাধ্যম আছে যেগুলোতে বিদেশি ক্লায়েন্টের কাজ করে এবং বাংলাদেশের ক্লায়েন্টের কাজ করে টাকা ইনকাম করা যায়। তো আজকে ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে। আজকে যে বিষয়গুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হবে তা এক নজরে নিচে দেওয়া হল, এ বিষয়গুলো সম্পর্কে জানলে আপনি যেটা মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণ পাবেন

1. ডিজিটাল মার্কেটিং কি?
2. ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে কোথায় কাজ পাওয়া যায়?
3. ডিজিটাল মার্কেটিং কোন কোন সেক্টরে বিভক্ত!
4. এসইও (seo) কি ?
5. এসইএম (sem) কি ?
6.কনটেন্ট রাইটিং মার্কেটিং কি ?
7. এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?
8. কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখব।

উপরোক্ত বিষয় সম্পর্কে আজকে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। আশা করি এই সাতটা বিষয় মনোযোগ দিয়ে পরলে ডিজিটাল মার্কেটিং কি তা বিস্তারিতভাবে বুঝতে পারবেন।

1. ডিজিটাল মার্কেটিং কি?
ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে সাধারণত ডিজিটাল পর্ণের মার্কেটিং কে বোঝাই। কাঙ্খিত কোন ক্রেতার কাছে কোন পর্ন পৌঁছে দেয়াকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে বোঝায়। বর্তমান সময়ে বহুত প্রচলিত একটি কথা হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং কি। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে কি লাভ কোথায় কাজ পাওয়া যায় কিভাবে শিখতে হয় কেন শিখতে হয়। ফ্রিল্যান্সিং এ বিভিন্ন ধরনের সেক্টর রয়েছে সেই সেক্টর গুলোর মধ্যে হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন, wix এসইও, ডিজিটাল মার্কেটিং, ইত্যাদি ই আরো অনেক। আসলে ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরটা অনেক বড় যে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে গেলে প্রায় ২০ টার মতো কনটেন্ট লেখা হয়ে যাবে। ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে সেই ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরের ছোট্ট একটি সেক্টর। এই ছোট্ট একটি সেক্টরে আরো হিউজ পরিমাণে বিভিন্ন বিভক্ত রয়েছে। সেই সম্পর্কে একটু পরে আলোচনা করা হবে।

2. ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে কোথায় কাজ পাওয়া যায়।
ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিংয়ের এমন একটি সেকশন যেখানে কাজ শিখলে কাজের কোন অভাব হয় না। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে বর্তমানে বিভিন্ন মানুষ প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করছে। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখলে ফাইবার, upwork, ফ্রিল্যান্সার ডটকমের মাধ্যমে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেক্সে কাজ পাওয়া যায় ফাইবার আপ ওয়ার্ক ফ্রিল্যান্সার ডটকম এর মত আরও একটি মার্কেটপ্লেস হলো লিংক ডিন । লিংক দিনে আপনার একটি নিজস্ব প্রোফাইল থাকবে এবং সে প্রোফাইলে আপনি কি কি কাজ পাবেন সেই সম্পর্কে বিস্তারিত বলা থাকবে। বাংলাদেশ এবং বাইরের বিশ্বের বিভিন্ন লোক আপনার প্রোফাইল চেক করে আপনাকে মেসেজ করবে তখন আপনি তাদের সাথে কাজের ডিল করতে পারেন। ঠিক তেমনি ফাইবার, আপওয়ার্ক ফ্রিল্যান্সার ডটকমে, নিজের একটি গিফট তৈরি করতে হয়। আপনার কি দেখে বিভিন্ন দেশের লোক আপনার কাছে কাজের জন্য প্রপোজাল পাঠাবে। তখন আপনি আপনার সাধ্যমত তাদের সাথে ডিল করবেন। এবং আপনি তাদের কাজ করে দিবেন। বর্তমানে মার্কেটপ্লেস ও মার্কেটপ্লেস এর বাহিরে বিভিন্ন ধরনের ক্লাইন্ট পাওয়া যায়। মার্কেটপ্লেস এর বাহিরের ক্রাইটের সাথে কাজ করে আপনি প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারেন। ফাইবার এর মত কোন ঝামেলাও থাকে না সেখানে। তাছাড়া আপনি নিজের দেশের বিভিন্ন ধরনের মানুষের ফেসবুক বিজনেসের অ্যাড শো করাতে পারেন, ফেসবুক পেজ প্রমোট বুস্টিং সার্ভিস লোগো ডিজাইন এসব করে দিতে পারেন। আশা করি বুঝতে পারছেন ডিজিটাল মার্কেটিং শিখলে কোথায় কাজ পাওয়া যায়।

3. ডিজিটাল মার্কেটিং কোন কোন সেক্টরে বিভক্ত?
ডিজিটাল মার্কেটিং এত বড় সেক্টরে বিভক্ত যে সেটা বলে বোঝানো যাবে না ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টর এর মধ্যে রয়েছে এসইও, sem, কনটেন্ট মার্কেটিং, কন্টেন্ট রাইটিং এস এম এম ইমেইল মার্কেটিং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ফেসবুক মার্কেটিং, ইউটিউব মার্কেটিং, টিক টক মার্কেটিং, instagram মার্কেটিং ইত্যাদি ইত্যাদি। ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরের যেকোনো ধরনের কাজ শিখলে আপনার কাজে কোন অভাব হবে না। মার্কেটপ্লেস এবং মার্কেটপ্লেসের বাইরে বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারবেন।

4. এসইও (seo) কি?
এসইও একটি ইংরেজি শব্দ যার ফুল অর্থ হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন মূলত বিভিন্ন ওয়েবপেজ যেগুলার মার্কেটিং করা লাগে। বিষয়টা আপনাদের কাছে ক্লিয়ার করে বোঝাই, মনে করেন আপনার প্রয়োজনীয় কোন পর্ণ কিনার জন্য গুগলে সার্চ করলেন, তখন আপনি প্রথম পেজে অনেক কয়েকটি ওয়েবসাইট পাবেন, নিশ্চয় আপনি প্রথম পেজের প্রথম কয়েকটা ওয়েবসাইটের মধ্যে ঢুকবেন, এবং আপনি আপনার প্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনবেন। আপনি যে প্রথম ওয়েবসাইটে ঢুকলেন সেটাকে বলে গুগল রেংকিং। গুগল রেংকিং এ যেতে হলে প্রতিটি ওয়েব পেজে এসইও করা লাগে। এসেও না করা থাকলে কোন ওয়েব পেজেই কোন পোস্ট গুগল রেঙ্কে যাবে না। প্রতিটি বিজনেসম্যান ব্যবসায়িকায় চায় যে তাদের পেইজ গুগলে সর্বপ্রথম এ থাকুক কারণ এতে করে তাদের ব্যবসার লাভটা হাজার গুণ বেশি হয়ে যায়। এবং তারা সেই ভিজিটর মানে আপনার মাধ্যমে এডসেন্স থেকে টাকা আর্নিং করে। তাই ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে এসইও শিখাটা খুবই জরুরী। বর্তমানে এসিওর যেমন পরিষদ আছে ভবিষ্যতে এর ডিমান্ডো অনেক বেশি থাকবে ইনশাআল্লাহ। এসইও সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে, ব্ল্যাক হ্যাট ইসিও, হোয়াইট হ্যাট এসইও, গ্রে হ্যাট এসইও। মার্কেটপ্লেস এর বিভিন্ন ক্লাইন্ট আপনাকে তাদের ওয়েবসাইটের অ্যাক্সিস দিয়ে বলবে আমার ওয়েব পেজটি এসিও করে দাও তখন আপনি আপনার ডিমান্ড অনুযায়ী টাকা নিবেন।

5. এসইএম (sem) কি?
এ সি এম হলো একটি ইংরেজি শব্দ মূলত এর পূর্ণরূপ হল সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং। বর্তমান সময়ে মানুষ ঘরে বসে বিভিন্ন ধরনের পণ্য কেনাকাটা করছে। বর্তমান সময়ে ই কমার্স ওয়েবসাইট প্রচুর পরিমাণে তৈরি হচ্ছে। সেই ওয়েবসাইট গুলা google rankবএ আনার জন্য যে কাজ করা হয় তাকেই এসিএম বলা হয়। সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর মাধ্যমে কোন ওয়েবসাইট যেমন ই-কমার্স সাইট ব্লক সাইট google rank এ আনা হয় এবং পর্যাপ্ত ভিজিটরের মাধ্যমে এডসেন্স থেকে টাকা আর্নিং করা হয়। বর্তমানের সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর গুরুত্ব যেমন ঠিক ভবিষ্যতেও তার থেকে হাজার গুণ বেশি সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর গুরুত্ব থাকবে। কারণ আগামী কয়েক বছরের মধ্যে মানুষ তা নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বাসা থেকে কিনবে। তাই প্রতিটা ব্যবসায়িক চাই তাদের ওই পেজগুলো গুগলের প্রথমে আসুক এবং তাদের ব্যবসা বৃদ্ধিপাক তাই এ সি এম এর গুরুত্ব অপরিসীম

6. কনটেন্ট রাইটিং ও মার্কেটিং কি?
কনটেন্ট মার্কেটিং হল মূলত কনটেন্ট রাইটিং করে সেই কনটেন্ট টা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা। কনটেন্ট সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে এসিও ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট। আপনি যদি এসইও ফ্রেন্ডলি অথবা ইউজার ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে আপনাকে বিভিন্ন লোক কনটেন্ট রাইটিং এবং কনটেন্ট মার্কেটিং এর কাজে জন্য হায়ার করবে। এবং আপনি তাদের আপনার ডিমান্ড অনুযায়ী ফী নিবেন। কনটেন্ট মার্কেটিং শিখতে হলে আপনাকে অবশ্যই এস ইউ ফ্রেন্ডলি এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট রাইটিং জানতে হবে। মনে করেন আপনি কোন একটি ঘড়ি কেনার জন্য ওয়েবসাইটে গেলেন সেখানে শুধু একটি ঘরের ছবি পেলেন তার সম্পর্কে কোন বিস্তারিত লেখা পেলেন না। আপনি কি নিবেন সেই ঘড়িটা? অবশ্যই নিবেন না! ঘড়িটা বিক্রি করার জন্য অবশ্যই ঘড়িটা সম্পর্কে কিছু লিখার প্রয়োজন ছিল সে লেখাটা হল কনটেন্ট রাইটিং, আপনি যখন কোন কাউকে কনটেন্ট লিখে দিবেন তখন সেটাকে বলে কনটেন্ট মার্কেটিং। আশা করি কন কিন্তু রাইটিং এবং কনটেন্ট মার্কেটিং বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন।

7. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং?
এফিলিয়েট মার্কেটিং কি। অনেকের মনে এই প্রশ্নটা থেকে থাকে যে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি, কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হয়, কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করা যায়। এফিলিয়েট মার্কেটিং হলো মূলত আপনার মাধ্যমে বিক্রীত কোন পণ্যের কমিশন। এফিলেট মার্কেটিং করতে হলে আপনার একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকা লাগবে সেই ওয়েবসাইটে কোন পর্নের সম্পর্কে আপনাকে কনটেন্ট দিয়ে সে পণ্যটি প্রচার করতে হবে। যখন আপনার ওয়েবসাইট থেকে সেই পণ্যটি কেনা হবে তখন এফিলিয়েড সিস্টেম অনুযায়ী আপনার একাউন্টে টাকা জমা হতে থাকবে। সে টাকা মাস শেষে উইড্রো করতে পারবেন। এফিলিয়েট মার্কেটিং সাধারণত ই-কমার্স ওয়েবসাইটে বেশি হয়।

8. কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখব?
হ্যাঁ ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে জানার পর আপনার অবশ্যই ডিজিটাল মার্কেটিং শিখার ইচ্ছা জাগতে পারে। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখার জন্য বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিং সেন্টার রয়েছে সেখানে আপনারা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে পারেন। আর অবশ্যই নিবন্ধিত কোন প্রতিষ্ঠান ছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবেন না। কারণ ডিজিটাল মার্কেটিং শিখানোর নামে অনেক টাকা লুটে নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো। তাছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং শিখার জন্য আপনারা বিভিন্ন ধরনের অনলাইন কোর্স করতে পারেন। ইউটিউব দেখেও সামান্য পরিমাণে কিছু শিখতে পারেন। মনে রাখতে হবে কেউ ফ্রিতে আপনাকে কিছু শিখাবে না। অবশ্যই তার বিনিময়ে আপনাকে কিছু টাকা পেয়ে করতে হবে। বসে না থাকি লেগে পড়ুন ডিজিটাল মার্কেটিং।

কোথায় প্রশিক্ষণ নিলে আপনার ভালো হবে। আপনাকে যেকোন ফ্রিল্যান্সিং কোর্সের জন্য আপনাকে আগে নিজে থেকে ধারণা নিতে হবে ধারনা অবশ্য Youtube থেকে নিতে পারেণ। আর তারপরে আপনি প্রশিক্ষণের জন্য আইটি  ইনস্টিটিউট CITNBD তে যোগাযোগ করতে পারে।

Leave a Reply