You are currently viewing সংখ্যা পদ্ধতি (Number System) এর পরিচিতি
সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস

সংখ্যা পদ্ধতি (Number System) এর পরিচিতি

আসসালামুআলাইকুম
আসাকরি সবাই ভালো আছেন।

আজকে আমি আলোচনা করবো সংখ্যা পদ্ধতি (Number System) নিয়ে।

এর মধ্যে যা যা থাকছে: 

  • সংখ্যা পদ্ধতি (Number System)
  • ডিজিট বা অঙ্ক
  • বিট (Bit)
  • বাইট (Byte)
  • সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base)
  • দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System)
  • বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System)
  • অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System)
  • হেক্সা ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)
  • কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Ward)

এই উপরোক্ত বিষয়গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

এই আলোচনা যদি ভালো লাগে তাহলে আপনারা কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন। আর হ্যা ICT এর ভিডিও লেকচারের জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করতে পারেন।

ICT YouTube

ডিজিটাল কম্পিউটার পরিচালিত হয় ডিজিটাল সংখ্যার ভিত্তিতে। সুতরাং ডিজিটাল কম্পিউটারের কার্যপদ্ধতি ভালোভাবে বোঝার জন্য সংখ্যাপদ্ধতি বিষয়ে ধারণা নেয়া প্রয়োজন। নিচে সংখ্যা পদ্ধতি ও এর প্রকারভেদ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

সংখ্যা পদ্ধতি (Number System) : বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন মৌলিক চিহ্ন বা অঙ্ক (ডিজিট) ব্যবহার করে সংখ্যা লেখা ও প্রকাম করার পদ্ধতিতে সংখ্যা পদ্ধতির সাহায্যে সহজেই সংখ্যা গণনা ও প্রকাশ কার যায়।

ডিজিট বা অঙ্ক : কোনো সংখ্যা পদ্ধতি লিখে প্রকাশ করার জন্য যে সমস্ত মৌলিক চিহ্ন বা সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার কার হয় তাকে ডিজিট বা অঙ্ক বলা হয়। যেমন : বাইনারি সংখ্যা প্রকাম করার জন্য 0, 1 ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ সংখ্যা তৈরির ক্ষুদ্রতম প্রতীকই হচ্ছে ডজিট বা অঙ্ক।

উদাহরণ: ৬২৩৪৫ সংখ্যাটি ৬, ২, ৩, ৪ ও ৫ এ পাঁচটি আলাদা অঙ্কের সমন্বয়ে গঠিত।

বিট (Bit) : বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির 0 এবং 1 এ দু’টি মৌলিক অঙ্ককে বিট বলে। Binary Digit শব্দটি সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে বিট (Bit)।

বাইট (Byte) : আটটি বিটের গ্রুপ নিয়ে গঠিত শব্দকে বাইট বলে। এক বাইট সমান এক ক্যারেক্টার।

সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base): কোনো সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি বা বেজ বলতে ঐ সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মোট অঙ্ক বা প্রতীকসমূহের সংখ্যাকে বুঝায়। যেমন- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ ও ৯ এ দশটি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। তাহলে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ১০। অনুরূপভাবে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির বেজ ২, অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধিতর বেজ হলো ৮ এবং হেক্সাডেসিমাল এর বেজ হলে ১৬। কোনো সংখ্যা পদ্ধতির যে কোনো সংখ্যাকে ব্র্যাকেটের মধ্যে লিখে ডান পাশে ছোট (সাবস্ক্রিপ্ট) করে সেই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি লিখতে হয়।</P.

দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System) : যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১০ টি অঙ্ক (Digit) ব্যবহার করা হয় তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ডিজিটগুলো হলো, 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 ও 9। সাধারণ হিসাব-নিকাশের জন্য দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System): যে সংখ্যা পদ্ধতিতে দু’টি অঙ্ক (Digit) বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। এ পদ্ধতির ডিজিট দুটি’কে সহজে ইলেকট্রনিক উপায়ে করা সম্ভব হয়েছে বলে কম্পিউটারসহ অনেক ইলেকট্রনিক যন্ত্রে এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ডিজিটগুলো হলো 0 এবং 1। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ভিত্তি হচ্ছে 2।

অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) : যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক (Digit) বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন কাজের ব্যাখ্যার জন্য এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ডিজিটগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ও ৭। অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্ত হচ্ছে ৮।

হেক্সা ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System): যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬টি অঙ্ক (Digit) বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সা ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। হেক্সা ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, ও 9 এই 10 টি অঙ্ক এবং A থেকে F এই 6 টি অঙ্ক ব্যবহৃত হয়। হেক্সা ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি 16। কাম্পউটার হেক্সা ডেসিমাল পদ্ধতি ব্যবহার করে ভুলের সম্ভাবনা কমানো যায়, মেমরি এড্রেস ব্যবহার করা যায় এবং কালার কোড নির্ধারণ করা যায়।

উদাহরণ : (1A3)16 একটি হেক্সা ডেসিমাল সংখ্যা।

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Ward) : এক বা একাধিক বিট বা বাইট নিয়ে গছিত শব্দকে কম্পিউটার শব্দ বলে। সুতরাং 8 Bit = 1 Byte or 1 Character, 16 Bits = 2 Characte.

কোড (Code) : কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত প্রতিটি বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ চিহ্নকে আলাদাভাবে সিপিইউকে বোঝানোর জন্য বিটের (0 বা 1) বিভিন্ন বিন্যাসের সাহায্যে অদ্বিতীয় (Unique) সংকেত তৈরি করা হয়। এ অদ্বিতীয় সংকেতকে কোড বলে।

আরো তথ্য জানতে TimetoEdu এর সাথেই থাকুন।

Leave a Reply