You are currently viewing সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইসের কিছু ছোট প্রশ্ন
সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস

সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইসের কিছু ছোট প্রশ্ন

আজকে আমরা ICT এর বেশ কিছু ছোট প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।

বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগ হিসেবে আপনাকে সংখ্যা পদ্ধতি সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানতে হবে এবং প্রাই বিভিন্ন পরীক্ষায় আপনাদের এই বিষয়ে প্রশ্ন হয়ে থাকে। তাই আমার কিছূ প্রশ্ন আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।

সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস

১. প্রাচীন হায়ারোগ্লিফিক্স হলো নন – পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

২. কাম্পিউটার সাধারনত বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে কাজ করে।

৩. মেমরি পরিমাপের ক্ষদ্রতম একক বাইট।

৪. এনকোডের এর মাধ্যমে আলফা নিউমারিক ক্যারেক্টারকে বাইনারি কোডে পরিনত করে।

৫. খ্রিষ্টপূর্ব ৩৪০০ বছর পূর্বে সর্বপ্রথম গননার কাজ শুরু হয়।

৬. ভারতীয় বা হিন্দু সংখ্যা পদ্ধতি থেকে শূন্য এর উদ্ভব।

৭. ঋনাত্মক সংখ্যার সর্বপ্রথম ব্যবহার ৬০০ সালে।

৮. প্রাচীন কালে মানুষ হাতের আঙ্গুল ব্যবহার করে সংখ্যার কাজ করত।

৯. প্রাচীন কালে ব্যবিলনের মানুষ গননার জন্য ২ ধরনের পদাধতি ব্যবহার করত।

১০. আরবা ভারতীয়দের কাছে থেকে গননা পদ্ধতি আয়ত্ত করেছিলেন।

১১. খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ সালে গ্রিসে ২৭টি গ্রিক আলফাবেট নিয়ে ১০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি চালু হয়।

১২. ভারতীয় গনিতবিদ পিংগালা শূন্য আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রথম বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি সম্পর্কে ধারনা দেন।

১৩. বিজ্ঞানী আল খোয়ারিজমি ১০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতির ওপর বই রচনা করেন।

১৪. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিকে হিন্দু-আরবীয় সংখ্যা পদ্ধতি বল।

১৫. সংখ্যা পদ্ধতির ক্ষুদ্রতম প্রতীক অঙ্ক।

১৬. ১ বাইটের অর্ধেককে বলে নিবল।

১৭. কোন সংখ্যঅ পদ্ধতির ভিত্তি হলো ব্যবহৃত মৌলিক চিহ্নের মোট সংখ্যা।

১৮. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি ৪ প্রকার।

১৯. বুলিয়ান আলজেবায় ব্যবহৃত হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি।

২০. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির প্রথম ধারনা দেন গ্রটফ্রিজ লিবনিজ।

২১. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির উদ্ভাবক রাজা ৭ম চার্লস।

২২. এক বাইট প্রকাশের জন্য ৩টি অক্টাল সংখ্যার প্রয়োজন।

২৩. কম্পিউটারে তথ্য প্রদর্শনের কাজে দশমিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

২৪. কম্পিউটারে যোগ, বিয়োগ, গুন, ভাগ করা হয় শুধু মাত্র যোগ প্রক্রিয়ায়।

২৫. বাইনারি পদ্ধতিতে ভাগ করা হয় বার বার বিয়োগ করে।

২৬. কম্পিউটারে ডেটা ইনপুটের জন্য এনকোডিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

২৭. ধনাত্মক ও ঋনাত্মক সংখ্যার পারস্পরিক পরিবর্তনকে পপিূরক বলে।

২৮. কম্পিউটারে ডেটা ইনপুটের জন্য এনকোডিং ব্যবহৃত হয়।

২৯. ১৯২৮ সালে বিসিডি কোড প্রথম উদ্ভাবিত হয়।

৩০. আলফা নিউমেরিক কোড ৪টি।

৩১. পৃথিবীর সকল ভাষা কে ইউনিকোড ভুক্ত করা হয়েছে।

৩২. বুলিয়ান অ্যালজেবরার প্রত্যেকটি চলকের মান ২টি।

৩৩. সত্যক সারণীর কাজ সর্বদা সত্যতা যাচাই।

৩৪. বুলিয়ান অ্যালজেবরার আবিষ্কার করেন- ১৮৫৪ সালে ইংরেজ গনিতবিদ জর্জবুল।

৩৫. বুলিয়ান অ্যোলজেবরা একটি গানিতিক টুল যিার সাহায্যে – ডিজিটাল সার্কিট অ্যানালাসিস ও ডিজাইন করা হয়।

৩৬. বুলিয়ান অ্যালজেবা কাজ করে – বাইনারি ডিজিট ০ এবং ১ নিয়ে।

৩৭. ডিজিটাল সিস্টেমের ভোল্টেজ লেভেল ০ থেকে ০.৮ ভোল্টেজ কে ধরা হয় – লজিক ০।

৩৮. ভোল্টেজ লেভেল ২ থেকে ৫ ভোল্টেজ হলে ধরা হয় – লজিক ১।

৩৯. বুলিয়ান দ্রুবকের মান – ০ থেকে ১।

৪০. যার মান পরিবর্তনশীল তাকে বলা হয় – চলক।

৪১. বুলিয়ান অ্যালজেবরার মৌলিক অপারেশন – তিনটি; যথা- যেক্তিক যোগ, যেক্তিক গুন, পরিপূরক।

৪২. ইনপুটে এক বা একাধিক ১ থাকলে আবুটপুট হবে – ১।

৪৩. যৌক্তিক গুনে আউটপুট ১ হবে তখন সবগুলো ইনপুট – ১ হবে।

৪৪. বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগ ও গুনের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলে এই নিয়ম গুলো কে বলা হয় – বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ।

৪৫. এনকোডারে ৮টি ইনপুট লাইন হলে আউটপুট লাইন পাওয়া যায় ৩টি।

৪৬. ডিকোডারের কাজ হলো – এনকোডারের বিপরীত।

৪৭. ডিকোডার সংযুক্ত থাকে – আউটপুট ডিভাইস যেমন : প্রিন্টার, মনিটর ইত্যাদি।

৪৮. যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা হয় তাকে বলে – অ্যাডার বা যোগ বর্তনী।

৪৯. যে অ্যাডারের সাহায্যে দুটি বাইনারি বিট যোগ করা হয় তাকে বলা হয় – হাফ অ্যাডার।

৫০.হাফ অ্যাডারে ২টি ইনপুট ও ২টি আউটপুট থাকে।

৫১. যে অ্যাডারের সাহায্যে তিনটি বাইনারি বিট যোগ করা হয় তাকে বলা হয় – ফুল অ্যাডার।

৫২. ফুল অ্যাডারে থাকে – তিনটি ইনপুট ও দুটি আউটপুট।

৫৩. কম্পিউটার মেমরির একটি উল্লেখ যোগ্য উপাদান হলো – ফ্লিপ – ফ্লপ যা লজিক গেটের সমন্বয়ে তৈরি।

৫৪. ফ্লিপ-ফ্লপ – ১বিট বাইনারি ০ বা ১ সংরক্ষন করতে পার্ ে

৫৫. ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুট থাকে এবং দুটি আউটপুট থাকে।

৫৬. ফ্লি-ফ্লপের অপর নাম – ল্যাচ বা বাইস্ট্যাবল মাল্টিভবাইব্রেটর।

৫৭. রেজিস্টার হলো – একাধিক ফ্লিপ-ফ্লপ এর সমন্বয়ে তৈরি একটি ডিজিটাল সার্কিট যা অস্থাযী মেমরি ভান্ডার হিসেবে কাজ করে।

৫৮. একটি রেজিস্টার যতটি ফ্লিপ-ফ্লপের সমন্বয়ে তৈরি – তত বিট তথ্য সংরক্ষন করে থাকে।

৫৯. যে রেজিস্টার একটি এমন ক্লক পালসের সাথে একত্রে সব বিট লোড করা যায় তাকে বলা হয়- প্যারালাল লোড রেজিস্টার।

৬০. যে রেজিস্টারে বাইনারি ডেটকে বামদিকে বা ডানদিকে বা উভয় দিকে সরাতে পারে তাকে বলা হয় – শিফ্ট রেজিস্টার।

৬১. যে সিকোয়েস্নিয়াল সার্কিটের সাহায্যে তাতে প্রসানকৃত ইনপুট সিগন্যালের সংখ্যা গননা করকে পারে তাকি বলা হয় – কাউন্টার।

৬২. অ্যাসিনক্রোনাস কাউন্টারের ক্ষেত্রে – সবগুলো ফ্লিপ-ফ্লিপ একসাথে তার অবস্থা পরিবর্তন করতে পারে না।

৬৩. একটি কাউন্টার যতটি ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা কাউন্ট করে তাদের সমষ্ঠিকে বলে – মোড নম্বর।

৬৪. অ্যাডার দুই প্রকার যথা – হাফ অ্যাডর বা অর্ধযোগ বর্তনী ও ফুল অ্যাডার বা পূর্নযোগ বর্তনী।

৬৫. 2’S Complement পদ্ধতিতে বিয়োগ করা হয় যোগ করে।

৬৬. বিসিডি কোড, আলফা নিউমারিক, ইবিসিডিআইসি কোড আবিস্কার করে – IBM;

৬৭. বুলিয়ান চরক হিসেবে সাধারনত ব্যবহার করা হয় – A, B, C, X, Y, Z ইত্যাদি।

৬৮. বুলিয়ান অ্যালজেবরার ভিত্তি হলো – true-false;

৬৯. NGT অর্থ – Negative Going Transition;

৭০. Unicode এর পূর্নরূপ হলো – Universal Code.

 

আরো তথ্য জানতে TimetoEdu এর সাথেই থাকুন।

 

Leave a Reply