You are currently viewing বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯৫২ থেকে বর্তমান)
বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯৫২ থেকে বর্তমান)

বাংলাদেশের ইতিহাস (১৯৫২ থেকে বর্তমান)

বাংলাদেশের ইতিহাস

বাংলাদেশের ইতিহাস বিশাল এবং উচ্চতর বিষয়। বাংলাদেশের ইতিহাস প্রাচীনকাল থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত সমৃদ্ধ এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, সাংস্কৃতিক উন্নতি, রাজনৈতিক বিপ্লব, এবং স্বাধীনতা লড়াই প্রস্তুত করে।

বাংলাদেশের প্রাচীনকালে এটি একটি প্রাচীন সংস্কৃতির কেন্দ্র ছিল। বিশেষভাবে বৌদ্ধ এবং হিন্দু ধর্মের কেন্দ্রস্থানীয় সংস্কৃতির উত্থান হয়। বিশিষ্ট স্থান রেখে বিহার, মন্দির, স্তূপ, ভাষ্যালয় এবং অন্যান্য ঐতিহাসিক ভাবনাগুলি পাওয়া গিয়েছে যা বিশ্বব্যাপী ঐতিহাসিক ও পর্যটন স্থান হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি মহান অধ্যায় হলো মুঘল শাসন। মুঘল সাম্রাজ্যের আওয়াম সরকার বাংলা এলাকাকে অনেক সময় নেয় এবং এখানে সাম্রাজ্যের ভাষা হিসেবে বাংলা ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক নগরী ধাকা একক সময়ে মুঘল শাসনের রাজধানী ছিল।

বিশেষভাবে ১৮১৭ সালের সাতকমারি বিদ্রোহ এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মতো অনেক মানুষের সংগ্রামের জন্য বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গর্বময় অধ্যায় প্রয়াত হয়েছে। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় অভিযান চালানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ আজাদি অর্জন করে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে বাংলাদেশ ডিক্লেয়ার করল। দুর্ভাগ্যবশত, মুক্তিযুদ্ধে একটি মহান মৌলিক যুদ্ধ এবং মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে অধিকাংশ বিনাশ ও উপদ্রব ঘটে। যুদ্ধের সময় সম্প্রদায় এবং ধর্মীয় সমঝোতা বৃদ্ধি পেতে হয়েছে, যা এখনও বাংলাদেশের সমাজে প্রভাব ফেলে।

বাংলাদেশ পার্টিশানের পরে একটি গণতান্ত্রিক প্রশাসিত রাষ্ট্র হয়েছে। এর সংবিধান জনগণের স্বাধীনতা, সাম্প্রদায়িক সহিষ্ণুতা এবং সার্বভৌম বিকাশ উপর ভিত্তি করে। বাংলাদেশের অর্থনীতি, সামাজিক উন্নতি, শিক্ষা এবং প্রযুক্তির ক্ষেত্রে চলমান প্রগতি দেখা গেছে।

সংক্ষেপে বলতে গেলে, বাংলাদেশের ইতিহাস হলো একটি ভবিষ্যত্বময় এবং যাত্রাপথ পূর্ণ গল্প, যা ভবিষ্যতের সুস্থ এবং সক্রিয় ভৌগোলিক, সামাজিক, এবং রাজনীতিক উন্নতির জন্য প্রস্তুত করতে আরও উন্মোচিত হচ্ছে।

 

বাংলাদেশের প্রাচীন সংস্কৃতি সম্পর্কে কিছু তথ্য

বাংলাদেশের প্রাচীন সংস্কৃতি অনেক বিশেষ এবং সমৃদ্ধ। এই সংস্কৃতি বিভিন্ন যুগের ব্যক্তিত্বগুলি রেখেছে এবং এটি একটি সংগঠিত বৈশিষ্ট্যময় সংস্কৃতির অনুভব করায় উত্তেজনা সৃষ্টি করে। এই প্রাচীন সংস্কৃতি সম্পর্কে কিছু বিষয় নিচে উল্লেখ করা হলো:

আর্থিক প্রস্তুতি: প্রাচীন বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং ব্যবসায়িক প্রস্তুতি প্রাচীন সময়ে খুব উন্নত ছিল। ভূখণ্ডের উপকুল অভিযান দিয়ে গতিশীল হয়েছিল প্রাচীন বাংলাদেশের ব্যবসায়িক জীবন। বাংলাদেশের বুড়িবাজার এবং শিল্প বাণিজ্য দেশটির আর্থিক সমৃদ্ধি এবং ভূগর্ভ প্রস্তুতির একটি সূচনা ছিল।

শিক্ষা এবং সাহিত্য: প্রাচীন বাংলাদেশে শিক্ষা এবং সাহিত্য বৃদ্ধি পেয়েছিল। প্রাচীন বাঙালি ভাষা লেখা এবং উপন্যাস সৃষ্টি করে। বিভিন্ন স্কুল, বিদ্যালয়, এবং বৃহত্তর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রচারিত ছিল, যা উচ্চ শিক্ষার উন্নতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ ছিল।

কারিগরি কলা এবং শিল্পকলা: প্রাচীন বাংলাদেশের শিল্পকলা এবং কারিগরি কলার উন্নতি উল্লেখযোগ্য ছিল। তাঁত, নকশি কাঁথা, শিল্পকলার আদিকলা সংস্কৃতির একটি অভিন্ন অংশ ছিল।

এগুলি শুধুমাত্র কিছু উদাহরণ, বাংলাদেশের প্রাচীন সংস্কৃতির একটি ছোট্ট অংশ। এই সংস্কৃতির ভিত্তি করে আজকের বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বিভিন্নতা ও গৌরব তৈরি হয়েছে। প্রাচীন সংস্কৃতি এখানের ভাষা, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, এবং ঐতিহাসিক সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে দুনিয়ায়ে উজ্জ্বল করেছে।

 

বাংলাদেশের স্থাপত্য ঐতিহ্য সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য

বাংলাদেশের স্থাপত্য ঐতিহ্য অনেক বৃহত্তর এবং ঐতিহাসিক যা এই দেশের সংস্কৃতি এবং পরিস্থিতি একটি সমৃদ্ধ ছবি প্রদর্শন করে। এই সথাপত্য ঐতিহ্য প্রাচীন থেকে আধুনিক কালের মধ্যে বিভিন্ন যুগের প্রভাব এবং বহুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলি রেখে ছাড়ায়। একের পরে আমি কিছু তথ্য উল্লেখ করছি:

গৌড় বংশের স্থাপত্য ঐতিহ্য: গৌড় বংশ প্রাচীন বাংলা এলাকায় স্থাপিত একটি শক্তিশালী রাজবংশ ছিল, যা বিশেষভাবে ৭ম থেকে ১১তম শতাব্দীর মধ্যে প্রস্তুতি পেয়েছিল। গৌড় রাজ্যের সময়ে বৃহত্তর অবদান বাংলাদেশের প্রাচীন স্থাপত্য উন্নতির প্রশাসনে হয়েছে। বিশেষত গৌড় বংশের সাম্রাজ্য পর্যাপ্ত স্বয়ংশাসনের অভিজ্ঞতা ছিল, যা স্থাপত্য প্রকল্পের উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

মুঘল স্থাপত্য ঐতিহ্য: মুঘল শাসনের সময়ে বাংলাদেশে বৃদ্ধি পেয়েছে একটি প্রাকৃতিক এবং রম্য স্থাপত্য প্রকল্প। মুঘল সাম্রাজ্যের সাথে গাঠিয়ে উঠেছে বাংলা ভাষায় শক্তিশালী শাসনশীল মহল এবং মহব্বতপুর মহাবিহার এবং লালবাগ কেল্লা এই পরিস্থিতিকে সাধারণভাবে দেখাচ্ছে।

ব্রিটিশ কলোনিয়াল স্থাপত্য ঐতিহ্য: ব্রিটিশ শাসনকালে বাংলাদেশে অনেক প্রাচীন স্থাপত্য উন্নতি হয়েছিল। ঢাকা এবং অন্যান্য বড় শহরের ব্রিটিশ স্থাপত্য প্রকল্প বৃদ্ধি পেয়েছিল। ঢাকার ব্রিটিশ বিভৃতির একটি সুন্দর উদাহরণ হল আহসানমঞ্জিল, যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।

সাম্প্রদায়িক বাসভবন: বাংলাদেশের প্রাচীন প্রস্তুতি দেখায় সাম্প্রদায়িক বাসভবন। গ্রামীণ এলাকায় বাড়ির স্থাপত্য আবেগে সাংস্কৃতিক আচরণ ও রুচির প্রতীক। গ্রামীণ বাংলাদেশে বাসভবনের শিল্প প্রকল্প এই সংস্কৃতি এবং জীবনযাত্রা একইসাথে প্রদর্শন করে।

আধুনিক স্থাপত্য এবং অগ্রগতি: আধুনিক সময়ে বাংলাদেশে বৃদ্ধি পেয়েছে একটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য সৃষ্টি। ঢাকার স্কাইলাইন মোডার্ন বিল্ডিং, ব্রিজ, শপিং মল, অফিস ভবন, এবং আবাসিক কমপ্লেক্স নতুন স্থাপত্যের উন্নতি ও অগ্রগতির প্রতীক।

 

এই উদাহরণগুলি বেশিরভাগ বাংলাদেশের স্থাপত্য ঐতিহ্যের এক ছোট্ট অংশ মাত্র। এই ঐতিহ্য আজকের বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং বৈশিষ্ট্যের প্রমুখ প্রতীক হিসেবে সংরক্ষিত হচ্ছে। দেশের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য প্রকল্পের রক্ষণ ও বৃদ্ধির দিকে সমর্থন এবং বিশ্বব্যাপী উপায়ে প্রচারের মাধ্যমে এই সাংস্কৃতিক সম্পদ বজায় রাখা সহজলভ্য করা গুরুত্বপূর্ণ।

 

১৯৫২ সালে বাংলাদেশের পরিস্থিতি

১৯৫২ সালে বাংলাদেশের পরিস্থিতি রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার চেয়ে মুখ্যতম পরিস্থিতি ছিল ভাষা আন্দোলনের উত্থান এবং ভাষা সংসদের স্থাপন।

মূলত, ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ভাষা আন্দোলন প্রারম্ভ হয়। এই আন্দোলনে পাকিস্তানি শাসনের কারণে বাংলা ভাষার প্রকৃত স্থানগুলি অবশ্যই চেয়ে বেশি হয়ে উঠতে শুরু করে। ঢাকার ভাষা মুক্তি স্মারক (সাধারণভাবে ভাষা স্মারক) থেকে আন্দোলনের উদ্দীপণা দেওয়া হয়। এই আন্দোলনের অনুষ্ঠানে শহীদ হুসেইন জানু এবং আবুল বরকত, মীর মান্নান এবং সালাউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ ভূমিকা পালন করে।

২১শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ একটি বিদ্যালয়ের মাধ্যমে একটি প্রচারিত শিক্ষার্থী সংঘ ঢাকার প্রধানমন্ত্রী লিয়াকট আলী খানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে এবং এই আন্দোলনে বাংলাদেশের শহীদ দিন হয়। এই ঘটনার পরিণতি এবং বৈধানিক মাধ্যমে বাংলা ভাষাকে পূর্বাধার করতে প্রচেষ্টা করা হয়।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন পরবর্তী কয়েক বছরে বাংলাদেশের জনগণ ভাষা সংসদের (বাংলা সংসদ) স্থাপন অর্জন করতে সফল হয়েছে। ১৯৫২ সাল থেকে বাংলাদেশের স্থিতি ভাষা আন্দোলন ও ভাষা সংসদের স্থাপনের এই সূচনা নিরাপদে জমে পড়েছে। ভাষা সংসদের স্থাপন বাংলাদেশের স্বাধীনতার একটি গৌরবময় ঘটনা হিসেবে প্রমাণিত হয়ে উঠেছে এবং এটি প্রতিবাদের শ্রেষ্ঠ উদাহরণ।

 

১৯৫৯ সালে বাংলাদেশের পরিস্থিতি

১৯৫৯ সালে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ধারাবাহিকভাবে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক স্থিতির উন্নতির পর্যাপ্ত উপায়ে উন্নত হয়েছে। এই সময়ে বাংলাদেশ এখনও পাকিস্তানের একটি অংশ হিসেবে প্রযোজ্য ছিল, পরিস্থিতি বাংলাদেশের বৃদ্ধির উপযোগী উন্নতি করতে সামর্থ্য ছিল।

১৯৫৯ সালে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের কোন মার্কিন প্রশাসন ছিল না, তবে রাজনৈতিক এবং সামাজিক মৌলিকভাবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল:

ভাষা সংসদের স্থাপন: ভাষা আন্দোলনের ফলে ১৯৫২ সালের পর বাংলা ভাষাকে পূর্বাধার করতে ভাষা সংসদের (বাংলা সংসদ) স্থাপন হয়। এই সংসদে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছিল এবং পাকিস্তানের উচ্চ আঞ্চলিক স্তরে স্বয়ংশাসনের দাবি বৃদ্ধি পেয়েছে।

নাওয়াব আয়ুব আলী খানের প্রধানমন্ত্রী: ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংসদে অধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত নাওয়াব আয়ুব আলী খান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হয়। তিনি বাংলাদেশের রাজনীতির সমৃদ্ধি এবং উন্নতির কাজে সক্ষম ছিলেন। তারপরে তিনি প্রাধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ শাখার অধীনে বিশেষ কার্যক্রম সম্পাদনের দায়িত্ব পায়।

একাধিক কারখানা এবং প্রকল্প: বাংলাদেশে এই সময়ে কৃষি এবং শিল্পের উন্নতির দিকে বৃদ্ধি পেয়েছিল। বেসরকারি কারখানা, নিজস্ব দেওয়ালের ব্রিক কারখানা, সেমেন্ট কারখানা, পানির উদ্ভিদ এবং তামাক কারখানা প্রযোজ্য ছিল। প্রকল্পের মধ্যে বিশেষভাবে টঙ্গী-জামালপুর বাঁধ ও ভিক্টোরিয়া জুবিলি সিলেট টিবি অস্পতাল মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি ছিল।

এই সময়ে, বাংলাদেশ স্বাধীনতা প্রাপ্ত হওয়া আরও এক দশকের প্রাথমিক পথে ছিল, কিন্তু এটি দেশের রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক স্থিতির প্রশাসনের উন্নতির উপায়ে গম্ভীর প্রচেষ্টা প্রকাশ করতে সামর্থ্যময় ছিল।

 

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের ইতিহাস

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের ইতিহাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক একটি বছর, যখন বাংলাদেশ স্বাধীনতা লড়াই করে জনগণের প্রতিষ্ঠার পথে অগ্রসর হয়েছে। এই বছরের প্রথম অংশ পাকিস্তান দ্বারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রয়াসের সময়।

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের মুখ্য ঘটনা ছিল বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ, যা মার্চ মাসে শুরু হয়েছিল এবং ডিসেম্বরে প্রায় ৯ মাস পর্যন্ত চলল। বাংলাদেশের জনগণ পাকিস্তান শাসিত এস-পি-ও এর বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা ও স্বাধীনতা প্রাপ্ত করার উদ্দীপণা দিয়েছিল।

১৯৭১ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তান শাসিত বাংলাদেশে মুক্তিবাহিনীর গুপ্তাংশের উত্থান এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে জনগণের সক্রিয় সমর্থনের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিবাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে স্থাপন করে। আমর স্যার, জিয়াউর রহমান, বিশিষ্ট বাংলাদেশ জননেতা শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য জননেতাদের নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সাংগঠিত হয়।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে, মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়ে বাংলাদেশ জনগণ বাংলাদেশ স্বাধীনতা লড়াই জয়ী হয়। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা অধিকার প্রাপ্ত করে।

১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ আন্তর্জাতিকভাবে চর্চিত ছিল এবং বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাংবাদিকেরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রয়াসের প্রতিচ্ছবি প্রচার করে। বিদেশে অনেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন প্রকাশ করে।

মুক্তিযুদ্ধের ফলে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে প্রতিবারের মধ্যে পালন করা হয়।

 

দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে বাংলাদেশের ইতিহাস

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে একটি নতুন অধ্যায় তার ইতিহাসে চলে আসে, যেখানে দেশের নিজস্ব স্বরাষ্ট্রতা এবং উন্নতির প্রতীকগুলি আসে উপস্থিত। নীচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং উপায়ের সংক্ষেপ দেওয়া হল:

প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন (১৯৭১-১৯৭৫): বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান দেশের নেতৃত্ব দক্ষ ভাবে নেওয়ার পর, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা প্রাপ্তির পরে প্রথম সরকার গঠন করেন।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশে সামর্থ্য সংগ্রহণ আইন: ১৯৭৫ সালে সরকার একটি আইন প্রণেত যা সম্পত্তি অধিগ্রহণ এবং উদ্যোগে সীমাবদ্ধতা স্থাপনের মাধ্যমে সমাজে সামর্থ্য সংগ্রহণের লক্ষ্য দেয়।

প্রতিবন্ধী সংগ্রহণ আইন (১৯৭২): এই আইনটি বাংলাদেশে বৈদেশিক মালিকানার সম্পত্তি ন্যায্যভাবে নেওয়ার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী সংগ্রহণ প্রদান করে।

কৃষি প্রধান বাংলাদেশ (১৯৭০-১৯৭৫): শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মৌষুমি বানিজ্যিক ও কৃষি উন্নতির উদ্দেশ্যে নতুন নীতিগুলি অনুমোদন করে।

সংবিধান সংশোধন (১৯৭২): বাংলাদেশ স্বাধীনতা প্রাপ্ত হওয়ার পরে, ১৯৭২ সালে নতুন সংবিধান গঠনের জন্য একটি কমিটি গঠিত হয়। নতুন সংবিধানে গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার প্রণেতা হয়ে উঠে।

রক্ষা ও সীমান্ত সংকট (১৯৭১-১৯৭৬): বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর, দেশে অতিরিক্ত উন্নতি এবং স্থাপনের চেষ্টা চলছিল, যেখানে সেনাবাহিনীর মধ্যে বিভেদ এবং কাউন্সিলিং মেয়াদায় চলেছিল।

বাংলাদেশের নতুন সংবিধান (১৯৭২): ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান গঠন করা হয়। এই সংবিধানে গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং সামাজিক ন্যায্যতা নিশ্চিত করা হয়।

রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা (২০১৭ বর্ষ): বাংলাদেশে অত্যন্ত সংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থী আত্মসমর্পণ করে, যারা মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসে। এই সমস্যা বাংলাদেশের সামাজিক ও আর্থিক সমস্যা তৈরি করে।

এইসাথে, বাংলাদেশ একটি অধ্যক্ষতার ডেমোক্রেসি এবং সুরক্ষা বিষয়ক সংবিদান শিল্পে প্রগতি করতে চলেছে, এবং দেশটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 

 

আরো তথ্য জানতে TimetoEdu এর সাথেই থাকুন।

Leave a Reply